Academy

নিচের চিত্রটি লক্ষ কর:

চিত্রে চামচে চকের গুঁড়ার উপর এসিড ফেলা হচ্ছে এবং এতে চামচে বুদবুদের সৃষ্টি হচ্ছে।

Ans :

চক হচ্ছে মূলত ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3) |

8 months ago

পারিপার্শ্বিক পরিবর্তন ও বিভিন্ন ঘটনা

আমাদের চারপাশে প্রতি মুহূর্তে নানা রকম পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে। এদের কোনো কোনোটি আমাদের জীবন ধারণের জন্য অত্যাবশ্যকীয় আবার কোনো কোনোটি হয়ত নানাবিধ ক্ষতির কারণও হতে পারে। প্রকৃতিতে ঘটা এ সকল নানা ঘটনায় বিভিন্ন পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তন সাধিত হয়।

এ অধ্যায় পাঠ শেষে আমরা

  • প্রকৃতিতে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনার ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের পরিবর্তন ব্যাখ্যা করতে পারব।
  • ধাতু সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করব।
  • রাসায়নিক ক্রিয়া এবং পরিবর্তনের কিছু ব্যবহারিক প্রয়োগ দেখাতে পারব।
  • পরীক্ষণ কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সচেতন থাকব এবং অন্যদের সচেতন করব।
  • পরীক্ষণ কার্যক্রমে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি সঠিকভাবে ব্যবহার করব।
Content added By

Related Question

View More

ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় সাধারণত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয়রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। খাবারের কৌটা, সাইকেল এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়।

উদ্দীপক প্রদত্ত বিক্রিয়াটির সম্পূর্ণরূপ হচ্ছে-

সুতরাং, A ও B হচ্ছে যথাক্রমে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন।
উল্লেখিত বিক্রিয়াটি হচ্ছে সালোকসংশ্লেষণ বিক্রিয়া। সালোকসংশ্লেষণে গাছপালা আলোর সাহায্যে বাতাসে থাকা কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানির (জলীয়বাষ্প) মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। উৎপন্ন গ্লুকোজ গাছপালার বেড়ে উঠার কাজে লাগে আর অক্সিজেন আমাদের নিঃশ্বাসের কাজে লাগে। সালোকসংশ্লেষণে উৎপন্ন পদার্থ অর্থাৎ, গ্লুকোজ ও অক্সিজেন, বিক্রিয়ক পদার্থ কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও ভিন্নধর্মী। সে কারণে এটি একটি রাসায়নিক পরিবর্তন।
অতএব, উদ্দীপকে উল্লেখিত বিক্রিয়াটিতে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে।..

উদ্দীপকের বিক্রিয়াটিতে A হচ্ছে গ্লুকোজ এবং B হচ্ছে অক্সিজেন। গ্লুকোজ এবং অক্সিজেনের মধ্যে অক্সিজেন পরিবেশে চক্রাকারে আবর্তিত হয়। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো-
গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সাহায্যে বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জলীয়বাষ্পের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটিয়ে গ্লুকোজ ও অক্সিজেন তৈরি করে। উৎপন্ন গ্লুকোজ উদ্ভিদ নিজের জন্য সঞ্চয় করে রাখে এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন বাতাসে ছেড়ে দেয়। আবার অন্যদিকে মানুষসহ অন্য প্রাণীরা গাছের ছেড়ে দেওয়া অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং গাছপালা বা অন্য উৎস থেকে গৃহীত খাদ্য ঐ অক্সিজেনের সাহায্যে দহন করে শক্তি উৎপন্ন করে ও কার্বন ডাইঅক্সাইড ছেড়ে দেয় যা আবার গাছপালা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করে নিজেদের খাদ্য তৈরির কাজে। এভাবেই গাছপালা বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে এবং উপজাত হিসেবে বাতাসে অক্সিজেন ছাড়ে, মানুষসহ অন্য প্রাণীরা অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড বাতাসে ছেড়ে দেয় তা আবার গাছপালা গ্রহণ করে। এভাবেই A ও B তথা গ্লুকোজ ও অক্সিজেনের মধ্যে অক্সিজেন পরিবেশে চক্রাকারে আবর্তিত হয়।

6 পাললিক শিলা কীভাবে তৈরি হয়? (অনুধাবন)

Created: 8 months ago | Updated: 8 months ago
Updated: 8 months ago

জলবায়ুজনিত পরিবর্তনের ফলে বাতাস, পানি, তুষার ও হিমবাহ, সমুদ্রস্রোত, ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদির প্রভাবে আগ্নেয় শিলা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ফলে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে তা ছোট ছোট কণায় পরিণত হয়। এ ছোট ছোট কণাগুলো পানি বা বায়ু দ্বারা প্রবাহিত হয়ে নদ-নদীর মাধ্যমে সাগরে গিয়ে পড়ে এবং তলদেশে আস্তে আস্তে পলিরূপে জমা হয়। এ সময় এর সাথে জীবজন্তু বা গাছপালার দেহাবশেষ ও পলিস্তরের মাঝে আটকা পড়ে। পানির চাপ ও তাপে নানারকম রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে জমাকৃত পলি ধীরে ধীরে কঠিন শিলা তথা পাললিক শিলায় পরিণত হয়।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...